Skip to content

Travelers Link Bd

Package: মধু পূনিমা প্যাকেজ (সেপ্টেম্বর ৫/৬/৭ )

3 Day 2 Night
৳ 7,500.00 Price Start/person

🌿নীরবতা ভেঙে আবারো খুলছে সুন্দরবন 🌿
🌿আপনাকে ডাকছে সুন্দরবন ... 🌿
বাংলাদেশের সবচেয়ে ফিমেল ও ফ্যামিলি ফ্রেন্ডলি ট্যুর অপারেটর Travelers Link bd এর সঙ্গে ভ্রমণ করুন সুন্দরবন। আমাদের রয়েছে দীর্ঘ ১০ বছরের সুন্দরবন প্যাকেজ পরিচালনার অভিজ্ঞতা।BD
বি. দ্র. - প্রতারনা এড়াতে এবং নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে ভ্রমণের জন্য TOAS ( Tour operator of Sundarbans) মেম্বারদের সঙ্গে ভ্রমণ করবেন।
🌿৩ মাসের নিস্তব্ধতা শেষে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময় – আমাদের আপন সুন্দরবন।
🐾 ১লা সেপ্টেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে এই বন্য সৌন্দর্যের রাজ্য!
এবার সময় এসেছে আবারো হারিয়ে যাওয়ার—সবুজের মাঝে, নদীর শব্দে, হরিণের ছায়ায়, আর বাঘের নিঃশব্দ উপস্থিতিতে।
বর্ষায় যেকোন প্রকৃতি তার আসল রুপে ফিরে আসে আর সেটা যদি হয় বাঘের আবাসস্থল সুন্দরবন তাহলে তো কথায় নেই আর বাড়তি পাওনা হিসাবে যদি থাকে মধু পূর্ণিমা।
👉আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না যে আমাদের দেশে এমন একটি স্থান আছে যেখানে আপনি খুব কাছ থেকে উপভোগ করতে পারবেন প্রকৃতি, নৌ ভ্রমণ, বন্য জীবন সাথে বোনাস হিসাবে পাচ্ছেন সমুদ্র সৈকত।
👉নেই কোন গ্যাদারিং, নেই কোন হোটেল খোজার ঝামেলা, নেই কোন খাবার নিয়ে চিন্তা।
আপনার হুকুমের আগেই আপনার সামনে পৌঁছে যাবে মুখরোচক সব খাবার।
আর এই সব কিছুই পাবেন আপনি একমাত্র সুন্দরবন ভ্রমণে।
👉ভ্রমণ তারিখ:
📣৩১ আগস্ট রাত থেকে ৩ সেপ্টেম্বর বিকাল ২০২৫
📣 ৫/৬/৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ( মধু পূর্নিমা)
🤑প্যাকেজ মূল্যঃ
👉 নন এসি ৭৫০০/- থেকে ৯৫০০/-
👉এসি ১২৫০০/- থেকে ২৫০০০/-
👉 পাঁচ তারকা সমমান জাহাজে ২৭০০০/- থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
👍ভ্রমণ স্থান সমূহঃ
আন্দারমানিক, কটকা জামতলা সী বিচ, কটকা টাইগার টিলা, কচিখালি, ডিমের চর, করমজল।
👉আমাদের প্যাকেজে আপনারা পাবেনঃ
🔸ট্যুরিস্ট লঞ্চে করে সুন্দরবন ভ্রমনের সুযোগ
🔸সুপ্রশস্থ কেবিন
🔸৩ দিন ৩/২ রাত সুন্দরবন অবস্থান
🔸 প্রতিদিন ৫ বেলা মানসম্মত সুস্বাদু খাবার ও নাস্তা
🔸 নিরাপত্তার জন্য বন বিভাগ থেকে অস্ত্রধারী গার্ড
🔸 ক্যানেল ক্রুজিং এর জন্য কান্ট্রি বোট(ট্রলার)
🔸 অভিজ্ঞতা সম্পন্ন গাইড
🔸 স্পেশাল বার-বি-কিউ নাইট
🔸 সুপেয় মিষ্টি পানি
🔸 রুফটপ ডাইনিং
🔸 জেনারেটর সুবিধা
🔸 প্রকৃতি
🔸 সমুদ্র
🔸 ওয়াইল্ড লাইফ
🔸 নৌ ভ্রমণ
🔸 জেলেদের জীবন ব্যাবস্থা
১ম দিনঃ
রুপসা, পশুর নদী দিয়ে যেতে যেতে আমরা দেখতে পাবো রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র মোংলা সমুদ্র বন্দর। খুলনা থেকে নদী পথে মোংলার দুরত্ব ৪৫ কিঃমিঃ যা কিনা যেতে আমাদের সময় লেগে যায় ৩ থেকে ৪ ঘন্টা জোয়ার ভাটার কারনে। মূলত মোংলা পার হবার পর থেকেই আপনি সুন্দরবনের স্বাদ পেতে শুরু করবেন। আমরা আমাদের প্রথম স্পট আন্ধারমানিক পৌছানোর আগে চাদপাই থেকে বনবিভাগের কার্যক্রম শেষ করে সকালের নাস্তার আগেই পোছে যাবো আন্ধারমানিক। সেখানে আমরা ১ ঘন্টা ঘুরে দেখবো এবং লঞ্চে ফিরে এসে সকালের নাস্তা সম্পন্ন করবো।
সুন্দরবনের আসল সৌন্দর্য এবং ওয়াইল্ড লাইফ উপভোগ করার আসল সময়ই হলো সকাল আর বিকাল।
দিনের বেলায় আমাদের ভ্রমণ তরী যখন সুন্দরবনের মাঝ দিয়ে যাবে তখন লঞ্চের ছাদে বা আপনার রুমে বসেই বন্য প্রাণী সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখতে দেখতে আপনি বিমোহিত হয়ে যাবেন। আর এই চলতি পথেই জেলেদের কাছ থেকে সুন্দরবনের সব সুস্বাদু মাছ কিনে আপনাদের খাওয়ানো হবে।
আমাদের নিয়ে আমাদের ভ্রমণ তরী সুন্দরবনের গহীন দিয়ে চলতে থাকবে কটকার পথে। আন্ধারমানিক থেকে কটকা যেতে সময় লাগে ৮ ঘন্টার মত। আমরা ইন শা আল্লাহ বিকালের ভিতরেই পৌছে যাবো কটকায় এবং অবস্থা বুঝে ব্যাবস্থা নিয়ে যে কোন এক পাড়ে নেমে যাবো ।
২য় দিনঃ
খুব ভোরবেলা আমরা প্রথমে যাবো সুন্দরবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ক্যানেল ক্রুজিং এ। সেখান থেকে জামতলা সী বিচ এ। জামতলা সী বিচ যেতে আমাদের পাড়ি দিতে হবে ৩ কিঃমিঃ পথ বনের মধ্য দিয়ে বনের পশু পাখি দেখতে দেখতে। সী বিচ এ যেয়ে আমরা ২০ মিনিট কাটিয়ে আবার একই রাস্তা দিয়ে হেটে ফিরে আসবো। এসে সকালের নাস্তা সেরে চলে যাবো টাইগার টিলার পথে সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নিতে। আর এরই মাধ্যমে আমরা বুঝে যাবো যে সুন্দরবনের সৌন্দর্য কতটা ভয়ংকর।
১১ঃ৩০ মিনিটের মধ্যে লঞ্চে ফিরে আসবো আর আমাদের লঞ্চ রওনা দিবো আকর্ষণীয় ছিটে কটকা খাল দিয়ে কচিখালির পথে। মূলত সুন্দরবনের আসল সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় এই রকম ছোট ছোট খাল নদী দিয়ে যাতায়াত করার সময়। কচিখালী পৌছাতে পৌছাতে দুপুরের খাবার খেয়ে আমরা নেমে যাবো সুন্দরবনের আরেক সুন্দর স্থান কচিখালী শন বনে। দেখবো বন্য জীবন, সেখান থেকে চলে যাবো ডিমের চরে। বাংলাদেশের সবচেয়ে দর্শনীয় সূর্যাস্ত দেখে আমরা ফিরে আসবো আমাদের ভাসমান বাড়ি আমাদের লঞ্চে। রওনা দিব করমজলের পথে সময় লাগবে ৮ ঘন্টা। রাতে থাকবে স্পেশাল বার-বি-কিউ নাইট।
৩য় দিনঃ
সকালের নাস্তা সেরে করমজল যাবো। করমজল মূলত একটি মিনি চিড়িয়াখানা যেখানে আমরা পাবো চিত্রা হরিণ প্রজনন কেন্দ্র, কুমির প্রজনন কেন্দ্র, কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্র আর মানকি ফুট ট্রেইল। সাবধান এখানের বানরগূলো খুবই বান্দর। খাবারের জন্য এরা প্রায়ই মানুষের উপর আক্রমণ করে থাকে আর এর জন্য দায়ী আমরা পর্যটকরা। আমরা এদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ফেলেছি খাবার দিতে দিতে। তাই দয়ে করে কেউ কোন বন্যপ্রানীকে কোন প্রকার খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। করমজল ঘুরে আমরা রওনা দিব খুলনার পথে। ইন শা আল্লাহ বিকাল থেকে সন্ধ্যা নাগাদ আমরা পৌছে যাবো খুলনাতে।
👉বুকিং মানি জমা দেওয়ার পদ্ধতিঃ
১. সরাসরি অফিসে এসে জমা দেওয়া যাবে।
২. বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।
৩. ব্যাংক ডিপোজিট করে বুকিং দেওয়া যাবে।
★★★ বুকিং এর শেষ তারিখ ৪ আগষ্ট পর্যন্ত (সিট খালি থাকা সাপেক্ষে) ।
.
🧳 কনফার্ম করার পদ্ধতি:
ট্যুর কনফার্মেশন করার জন্য আপনাকে 💰 বুকিং_মানি জন প্রতি ৫,০০০ টাকা জমা দিয়ে ট্যুর কনফার্ম করতে হবে (অফেরতযোগ্য), এক্ষেত্রে বিকাশ/ব্যাংক / দেখা করে সরাসরি জমা দিতে পারবেন ।
ব্যাংকে পাঠাতে পারেন।
✨ এখনি সময়... নিজেকে প্রকৃতির কোলে খুঁজে পেতে।
সুন্দরবন অপেক্ষা করছে আপনাকে বরণ করে নিতে তার হৃদয়ের গভীরে...
📞 ইনবক্স করুন বা কল করুন এখনই — সীট সংখ্যা সীমিত!
☎️ 01747-185605
সরাসরি আমাদের অফিসে এসেও বুকিং করতে পারেন। আমাদের ঠিকানা:
Abu Taher Prince ( Member of TOAS, SL No - 128)
Travelers Link BD
রিভিউ ও নিরাপদ ভ্রমণ জন্য ভিজিট করুন বন বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রফাইল https://sundarbantourism.bforest.gov.bd/en/operator/30
🏫 অফিস: ৪ নং বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চ ঘাট, পুরাতন রেল স্টেশন গেট ( ২য় তলা), খুলনা

Book for this Package
Login Now